সলোমনের কাছে ঈশ্বরের দ্বিতীয় আবির্ভাব
1. শলোমন প্রভুর মন্দির ও তাঁর রাজপ্রাসাদ বানানোর কাজ শেষ করলেন
2. এরপর প্রভু আবার শলোমনকে দেখা দিলেন, য়ে ভাবে তিনি গিবিয়োনে তাঁকে স্বপ্নদর্শন দিয়েছিলেন সে ভাবে
3. প্রভু তাঁকে বললেন, “তোমার প্রার্থনা এবং তুমি যা যা আমার কাছে চেয়েছ সে সবই আমি শুনেছি
4. তোমার পিতা দায়ূদ য়ে ভাবে আমার সেবা করেছিলেন, তোমাকেও সে ভাবেই আমার সেবা করতে হবে
5. “আর তা যদি তুমি করো আমি অবশ্যই খেযাল রাখবো যাতে ইস্রায়েলের রাজ সিংহাসনে সদাসর্বদা তোমারই পরিবারের কেউ আসীন হয়
6. “কিন্তু যদি কখনও তুমি ও তোমার সন্তান, সন্ততিরা আমাকে অনুসরণ করা বন্ধ করে দাও, আমার দেওয়া বিধি আদেশগুলি পালন না করো এবং অন্য কোনো মূর্ত্তির পূজা করো, তাহলে আমি আমার দেওয়া এই ভূমি ত্যাগ করতে তাদের বাধ্য করব এবং আমি এই পবিত্র মন্দির যেখানে আমার উপাসনা হয়, তা ধ্বংস করব
7. তখন ইস্রায়েলের ঘটনা সবার কাছে খারাপ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে, সকলে ইস্রায়েলকে নিয়ে পরিহাস করবে
8. এই মন্দির ধ্বংস হবে
9. অন্যরা তাদের উত্তর দিয়ে বলবে, ‘এরা তাদের প্রভুকে ত্যাগ করেছিল বলেই এই ঘটনা ঘটেছে
সলোমন এবং হিরাম বিনিময় উপহার
10. প্রভুর মন্দির ও নিজের রাজপ্রাসাদ নির্মাণের কাজ শেষ করতে রাজা শলোমনের 20 বছর লেগেছিল
11. তারপর তিনি সোরের রাজা হীরমকে গালীল প্রদেশের 20 টি শহর উপহার দিয়েছিলেন
12. হীরম তখন সোর থেকে শলোমনের দেওয়া শহরগুলো দেখতে এলেন
13. তিনি শলোমনকে বললেন, “ভাই আমার, এ শহরসমূহ কি এমন য়ে তুমি আমাকে উপহার দিলে?” হীরম এই সব ভূখণ্ডের নাম কাবুল দিয়েছিলেন এবং আজ পর্য়ন্ত ঐ অঞ্চল কাবুল নামেই পরিচিত
14. হীরম রাজা শলোমনকে মন্দির তৈরীর কাজে ব্যবহারের জন্য প্রায় 9,000 পাউণ্ড সোনা পাঠিয়েছিলেন
সলোমনের অতিরিক্ত অর্জন
15. মন্দির এবং প্রাসাদ নির্মাণের সময় রাজা শলোমন ক্রীতদাসদের কাজ করতে বাধ্য করেছিলেন
16. অতীতে মিশরের রাজা গেষরে কনানীযদের সঙ্গে যুদ্ধ করে তাদের হত্যা করে শহরটি বালিয়ে দিয়েছিলেন
17. শলোমন সেই শহরটাকে আবার নতুন করে গড়ে তুললেন
18. বালত্ ও তামর মরু শহর দুটি বানিয়ে ছিলেন
19. শস্য ও অন্যান্য সামগ্রী সুরক্ষিত রাখার জন্যও শলোমন কয়েকটি নগ়র নির্মাণ করেন
20. দেশে ইস্রায়েলীয় ছাড়াও ইমোরীয়, হিত্তীয়, পরিষীয়, হিব্বীয় ও যিবূষীয় প্রভৃতি অনেক বাসিন্দা বাস করত
21. ইস্রায়েলীয়রা তাদের বিনষ্ট করতে পারে নি
22. তবে রাজা শলোমন কখনও কোন ইস্রায়েলীয়কে তাঁর দাসত্ব করতে দেন নি
23. শলোমনের বিভিন্ন কাজকর্মের জন্য সব মিলিয়ে 550 পরিদর্শক ছিল, তারা অন্যান্য যারা কাজ করত তাদের তত্ত্বাবধান করত
24. ফরৌণের কন্যা দায়ূদ শহর থেকে শলোমন তাঁর জন্য য়ে বড় বাড়িটি বানিয়ে ছিলেন সেখানে চলে আসার পর শলোমন মিল্লো বানান
25. প্রতি বছর তিন বার করে শলোমন তাঁর বানানো প্রভুর মন্দিরের বেদীতে হোমবলি ও মঙ্গল নৈবেদ্য উত্সর্গ করতেন
26. রাজা শলোমন ইদোম দেশে সূফ সাগরের তীরে এলাতের কাছে ইত্সিযোন গেবরে কিছু জাহাজ বানিয়েছিলেন
27. রাজা হীরমের রাজ্যে কিছু নাবিক ছিলেন, যারা সমুদ্রের সব খবরাখবর রাখত
28. শলোমন তাঁর জাহাজ ওফীরে পাঠানোর পর তারা সেখান থেকে শলোমনের জন্য 31500 পাউণ্ড সোনা এনেছিল